এ বছরের অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়ন পাওয়া চলচ্চিত্রগুলোর মাঝে ‘সত্য ঘটনা অবলম্বনে’ তৈরী ছবির আধিক্য দেখে আসলে অবাক হওয়ার কিছুই ...



এ বছরের অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়ন পাওয়া চলচ্চিত্রগুলোর মাঝে ‘সত্য ঘটনা অবলম্বনে’ তৈরী ছবির আধিক্য দেখে আসলে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। অবাক হওয়া যেতে পারে কেবলমাত্র চলচ্চিত্রগুলোর অসাধারণ এবং অবিশ্বাস্য পথচলায় অংশ নিয়ে, এরকমও তাহলে হয়? এবারের ছবিগুলো দেখার পর এটাই হবে আপনার প্রথম অভিব্যক্তি, এটা নিশ্চিত!

“আপনার দরকার ভাল ডাক্তার দেখানো।” আমি দ্বিতীয়বারের মতো ইমরুল ভাইকে বললাম “নতুবা ঘরে তালা মেরে রাখা ছাড়া আপনার কোন উপায় দেখছি না।” “আরে বাবা...

“আপনার দরকার ভাল ডাক্তার দেখানো।” আমি দ্বিতীয়বারের মতো ইমরুল ভাইকে বললাম “নতুবা ঘরে তালা মেরে রাখা ছাড়া আপনার কোন উপায় দেখছি না।”
“আরে বাবা ডাক্তারতো দেখাচ্ছিই।” সিগারেটে দুটো মোক্ষম টান দিয়ে উদাস উদাস চেহারা করে ইমরুল ভাই জবাব দিলেন, “তবে ওষুধগুলো নিয়মিত খাওয়া হচ্ছে না এই আর কি... ওগুলোর যা দাম! তাও যদি একটা দু’টা কেইস-ফেইস জুটতো...”
ঠিক এই মুহূর্তটাতেই কাওসার আহমেদ চৌধুরীর ফোনটা এল। ইমরুল ভাই ফোনে বেশ খানিক্ষণ হুঁ-হাঁ করলেন, একবার ভয়ানক ধরনের ভ্রুকুটি করলেন, দু তিন বার মাথা চুলকালেন তারপর টপ করে সামনের দোকানের শেল্ফ থেকে একটা কলম টেনে নিয়ে খসখস করে কুড়িয়ে নেওয়া একটা ঠোঙায় কি যেন লিখতে লাগলেন হড়বড় করে। ফোন রাখার পর খুশী খুশী গলায় বললেন,”শনি বুঝি কেটেই গেল রে! শেষ পর্যন্ত একটা কেইস জুটেছে। মালদার পার্টি। চল যেতে যেতে বলছি।“ বলে হাঁটা ধরলেন।


অর্ধবৃত্তাকার, ছোট একটা রুম। বেশ সাদাসিধে, একটি মাত্র জানালা, একটিই দরজা আর আসবাবপত্র বলতে একটি সাদামাটা টেবিল আর টেবিলের দুপাশে সবমিলিয়ে ...


অর্ধবৃত্তাকার, ছোট একটা রুম। বেশ সাদাসিধে, একটি মাত্র জানালা, একটিই দরজা আর আসবাবপত্র বলতে একটি সাদামাটা টেবিল আর টেবিলের দুপাশে সবমিলিয়ে তিনখানা আরো সাদামাটা চেয়ার। এর একটিতে সে বসে আছে, অপেক্ষা করছে কারো জন্য।

শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তটা নিয়েই নিলাম, খুনটা হবে এবং আমিই করব। অনেকদিন নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভ্যাস নেই, জীবনের সকল বড় বড় সিদ্ধান্তগুলোতে আমা...

শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তটা নিয়েই নিলাম, খুনটা হবে এবং আমিই করব। অনেকদিন নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভ্যাস নেই, জীবনের সকল বড় বড় সিদ্ধান্তগুলোতে আমার হয়ে গোটা জীবন প্রক্সি দিয়ে এসেছে বাড়িতে মা-বাবা, স্কুলে হেডস্যার, কলেজে প্রিন্সিপাল, ভার্সিটিতে ভিসি আর অফিসে বস।তাছাড়া গত এক সপ্তাহ ধরে মাথায় চিন্তাটা কামড়ে বেড়াচ্ছে, রাতে দুঃস্বপ্ন, খাওয়ায় অরুচি কাজে অন্যমনস্কতা – চিন্তা কিংবা দুশ্চিন্তার সকল লক্ষণগুলো পেরিয়ে শেষমেশ এরকম একটা চরম সিদ্ধান্ত নিতে পেরে নিজেকে বেশ মহান মনে হচ্ছে।এরকম একটা সিদ্ধান্ত কতজন নিতে পারে তাই না? আপনারাই বলুন?



৯ ডিসেম্বর, ২০২০। সারা দিনের ঝক্কি ঝামেলা শেষে ল্যাপটপটার সামনে বসবার একটু সুযোগ মিলল। সরাসরি খোমাখাতায় প্রবেশ এবং সেখান থেকে একটি বিশেষ ইভে...



৯ ডিসেম্বর, ২০২০। সারা দিনের ঝক্কি ঝামেলা শেষে ল্যাপটপটার সামনে বসবার একটু সুযোগ মিলল। সরাসরি খোমাখাতায় প্রবেশ এবং সেখান থেকে একটি বিশেষ ইভেন্টের ওয়ালে। নাহ, আবারো হতাশ হতে হল, মাত্র চারজন অ্যাটেন্ডিং … হচ্ছে না, কিছুই হচ্ছে না।

উপরের কাজগুলো গত এক সপ্তাহ ধরে আমার দৈনন্দিন রুটিনের অংশ হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিনই একই